সহযোগী চাই

কেন মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠায় অংশগ্রহন করবেন?

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: ” إِذَا مَاتَ الْإِنْسَانُ انْقَطَعَ عَنْهُ عَمَلُهُ إِلَّا مِنْ ثَلَاثَةٍ: إِلَّا مِنْ صَدَقَةٍ جَارِيَةٍ، أَوْ عِلْمٍ يُنْتَفَعُ بِهِ، أَوْ وَلَدٍ صَالِحٍ يَدْعُو لَهُ

হযরত আবূ হুরায়রা রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, যখন ব্যক্তি মারা যায়, তখন তার আমলের পথ রুদ্ধ হয়ে যায়। তবে তিনটি আমল বন্ধ হয় না। এক হল, সদকায়ে জারিয়া, দুই হল, ঐ ইলম যা দ্বারা অন্যরা উপকৃত হয়, তৃতীয় হল, নেক সন্তান যে, তার জন্য দুআ করে। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং-১৬৩১, সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং-২৮৮০]

এ হাদীস থেকে আমরা বুঝতে পারি যে, মৃত্যু এমন এক কঠিন জগত, যেখানে যাবার পর আর কোন আমলের সুযোগ নেই।  নেই ভুলগুলো শুধরে এবং আমল বাড়িয়ে হাশরের ময়দানে মুক্তির ব্যবস্থা করা।

কিন্তু তিনটি পদ্ধতি দ্বারা মৃত্যুর পরও আমল জারী থাকে। অর্থাৎ কবরে বসে থেকেও আমলের সওয়াব পাওয়া যায়। কিয়ামত পর্যন্ত আমল করলে যত সওয়াব হবে, কিছু কাজের দ্বারা সেই সওয়াবের অধিকারী হওয়া যায়।

এর মাঝে একটি হল, সদকায়ে জারিয়া, আরেকটি হল ইলমী কাজ রেখে যাওয়া।

কোন ব্যক্তির মাধ্যমে উপরোক্ত কাজ হওয়া মানে উক্ত ব্যক্তির জন্য কিয়ামত পর্যন্ত সওয়াবের রাস্তা খুলে যাওয়া। এটা কেবল ভাগ্যবান ব্যক্তিদের নসীবেই জুটবে, এটাই স্বাভাবিক।শুধু পয়সা থাকলেই কিংবা সুযোগ থাকলেই সবার এত বড় নিয়ামত অর্জনের তৌফিক হ্য না।

মাদরাসা মসজিদে যায়গা দেয়া, মাদরাসা মসজিদে অনুদান দেয়া, কিতাব প্রদান করা এটা অনেক বড় সদকায়ে জারিয়া। এ মহান পূণ্যকাজের তৌফিক কেবল ভাগ্যবানদের নসীবে জুটে থাকে।

বাংলাদেশে ছেলেদের জন্য মান সম্পন্ন অনেক আবাসিক মাদ্রাসা থাকলেও মেয়েদের জন্য মান সম্পন্ন আবাসিক মাদ্রাসা চাহিদার তুলনায় খুবই কম।আর হিফজুল কোরআন মাদ্রাসা নেই বললেই চলে।অথচ বর্তমানে অনেক মেয়ে শিক্ষার্থী কোরআন হিফজ করতে চায়, কিন্তু মান সম্পন্ন প্রতিষ্ঠান তেমন না থাকায় তারা অন্যকোন বিষয়ে অধ্যয়ন শুরু করে।

তাই আমরা এই শূন্যতা পূরন করার দৃঢ় সংকল্প নিয়ে  আমাদের পরিচালিত মডেল মাদ্রাসা এবং ছেলেদের আবাসিক মাদ্রাসার পাশাপাশি মেয়েদের জন্য আধুনিক মান সম্পন্ন হিফজুল কোরআন আবাসিক মাদ্রাসা স্থাপনের প্রচেষ্টা করছি। যেখানে হিফজুল কোরআনের পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষা, কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রশিক্ষন, সেলাই প্রশিক্ষনের সুযোগ ও থাকবে।

আমাদের আশা-আকাংক্ষা থাকলেও সামর্থ্য খুবই সীমিত।

তাই আমরা এমন একজন উদ্যোক্তা খুজছি, যিনি দুনিয়া ও আখিরাত উভয় জাহানের উদ্দেশ্য নিয়ে বিনিয়োগ করবেন।উদ্যোগ ভালোভাবে বাস্তবায়ন হলে এখান থেকে মুনাফা ও আসল উভয়টাই পাবেন।যেহেতু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের ফল আসতে কমপক্ষে ৩বছর সময় লাগে, সেহেতু সর্বনিম্ন ৩বছর টার্গেট করে বিনিয়োগ করতে হবে।

কিভাবে করা হবে?

প্রাথমিকভাবে খোলামেলা ফ্ল্যাট কিংবা ৪/৫ তলা বিল্ডিঙয়ের একেবারের উপরের তলা ভাড়া নিয়ে শুরু করা হবে।

ফ্ল্যাটের আয়তন এমন হবে যেন, পর্যায়ক্রমে  ৫০জন মেয়ে ভালোভাবে থাকতে পারে।

*স্থায়ী স্থাপনা করে করতে গেলে প্রথমে অনেক ব্যয় হবে।তাই বড় উদ্যোগ ব্যতিত আমাদের পক্ষে করা সম্ভব নয়।

কত টাকা বিনিয়োগ করতে হবে?

আমরা কোন নগদ টাকা নিতে চাচ্ছিনা, কারন আমরা চাই-বিনিয়োগকারি নিজহাতে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করুন।তাই আমরা এই বিনিয়োগকে টাকার অংকে হিসাব করিনি। তারপর ও একটা আনুমানিক হিসাব উল্লেখ করছি।আমরা ধারনা করছি, মাদ্রাসায় ৫০% ছাত্রী পেতে আমাদের ১৮মাস সময় লাগতে পারে।সেই হিসাবে ১৮মাসের আনুমানিক ব্যয় হিসাব করছি।

  • ৫০ জন থাকতে পারে, এমন ১/২টি ফ্ল্যাটের অগ্রিম।
  • ১৮মাস পর্যন্ত মাসিক ভাড়া।
  • ৩জন শিক্ষকের বেতন।
  • ইউটিলিটি বিল।
  • বিভিন্ন ধরনের ফার্নিচার।

এই সকল খাতে মোটামুটি ১০-১২লাখ টাকা ব্যয় হতে পারে।

এখানে উল্লেখিত সব খাতে টাকা এককালীন লাগবে না।এমন কি সম্পূর্ন বাজেটকৃত টাকা নাও লাগতে পারে।কারন, আমাদের পরিচালিত ছেলেদের জন্য বেশ কয়েকটি আবাসিক-অনাবাসিক মাদ্রাসা আছে।যার মাধ্যমে আমরা এই মাদ্রাসায় দ্রুত মেয়ে শিক্ষার্থী পেয়ে যাবো ইনশা আল্লাহ।

তাই আগ্রহী যেকোন একজন বিনিয়োগকারী, যিনি পর্যায়ক্রমে এই বিনিয়োগ করার সামর্থ্য রাখেন এবং বিনিয়োগ করার দৃঢ় ইচ্ছা পোষন করে, তিনি অনুগ্রহপূর্বক আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন।

আপনার বিনিয়োগ কিভাবে ফেরত পাবেন?

অতিত অভিজ্ঞতা থেকে আমরা ধারনা করছি, এই মাদ্রাসা ইনশা আল্লাহ ২৪-৩৬মাসের স্বয়ং সম্পূর্ন হয়ে যাবে।

মাদ্রাসা স্বয়ং সম্পূর্ন হওয়ার পর আবাসিক- অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের আবাসন ফি থেকে ভাড়া ,ইউটিলিটি বিল এবং স্থাপনা সংক্রান্ত ব্যয় বাদ দিয়ে যে অংক থাকবে, তা মাসিক আকারে নিয়ে যাবেন।

কোথায় করা হবে?

ঢাকা সহ যেকোন জেলা শহরের আবাসিক এলাকার নিকটবর্তী স্থানে এই মাদ্রাসা স্থাপন করা যাবে।

ঢকা শহরের ক্ষেত্রে মিরপুর, উত্তরা, যাত্রাবাড়ী, কেরানীগঞ্জ সহ এমন যেকোন এলাকা, যেখানে আবাসন ব্যয় কম হবে, খোলামেলা পরিবেশ পাওয়া যাবে, এমন স্থান হলে ভালো হবে।

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ই-মেইলঃ atfal0099@gmail.com, mail@al-atfal.info

মোবাইল নংঃ- ০১৮৩০৩২৩৫১৭-০১৯১৩৫০২৯৮৪

 জে/৪০, বর্ধিত পল্লবী, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬ 

আমরা আপনার অপেক্ষায় আছি